স্কুল খুলবে তবে সেখানে অর্ধেক শিক্ষার্থী নিয়ে।

শিক্ষার অন্য স্তরের মতো প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধেরও পাঁচ মাস অতিক্রম হচ্ছে। কবে নাগাদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

করোনা পরিস্থিতিও কিছুটা স্থিতিশীল। এমন অবস্থায় যখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হোক না কেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় একটি গাইডলাইন আগেভাগেই
তৈরি করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সেখানে একদিন অর্ধেক শিক্ষার্থী, আরেকদিন বাকি অর্ধেক শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস পরিচালনার কথা ভাবা হচ্ছে।

শিশু শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার আগে,খোলা অবস্থায় নিরাপত্তা ও পাঠদান সময়ে শিক্ষার্থীদেরে উপসর্গ বা আক্রান্ত হলে করণীয় কী-এসব উঠে এসেছে সেই গাইডলাইনে।

তবে সেখানে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়! মসজিদ মন্দির গির্জা মতো  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি একই দশায় হবেনা তার নিশ্চয়তা কে দেবে?

আমরা দেখেছি আলেমসমাজ কেও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতে,
যে শর্তগুলো রুপোর মসজিদ গুলো খুলে দেওয়া হয়েছিল তার একটি প্রতিশ্রুতি পালন করেনি।

এছাড়াও রয়েছে পাঠ পরিকল্পনার কথা। তা নিয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সভা হয়েছে।


সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার ঘোষণা এলে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় এই গাইডলাইন তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব
মোঃ আকরাম-আল-হোসেন।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে সচিব বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তবে স্কুল খোলার বিষয়টি চূড়ান্ত হলে নির্দেশিকাটি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব মনসুর।

বিদ্যালয়ে অবস্থানকালে করণীয় ছাড়াও মাস্ক কীভাবে পরতে হবে, হাত কীভাবে ধুতে হবে, স্যানিটাইজার কীভাবে ব্যবহার করতে হবে- এগুলো ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়াসহ টিভি-পত্রিকায় প্রচার করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, নিরাপদ বিদ্যালয় করতে যা যা করা দরকার তা করবো। 

এই নির্দেশিকাটি ন্যাশনাল স্ট্যার্ডার্ড অর্থাৎ স্বাস্থ্যবিধি, প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সিডিসির সবশেষ গাইডলাইন অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম।

১৫ দফা নির্দেশনা দিয়ে সরকার প্রত্যাহার করলো ছুটি।

আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৫ দফা নির্দেশনা দিয়ে ছুটি প্রত্যাহার করেছে।
১৫ জুন পর্যন্ত এই ছুটি প্রত্যহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে সিনিয়র সহকারি সচিব তৌহিদ এলাহি স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলে হয়েছে যে,

আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত এসব নির্দেশনার ভিত্তিতে সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ৫,৬ ,১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই ছুটি প্রত্যাহারের শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে এক জেলা থেকে অন্য জেলা চলা ফেরা করা যাবে না এবং প্রতিটি জেলার প্রবেশ এবং বের হওয়ার পথে চেকপোস্টের ব্যবস্থা থাকতে হবে।


এছাড়াও এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে রাত ৮ টা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত কেউ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বের হতে পারবে না এবং চলাফেরা করতে পারবে না।
বিস্তারিত নির্দেশনা সম্বলিত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিটি-নিম্নে দেওয়া হলো-